প্রচন্ড শীতে ছোট্ট বাচ্চাদের ত্বকের যত্ন
প্রচন্ড শীতে ছোট্ট বাচ্চাদের ত্বকের যত্ন
শীতে ছোট বাচ্চাদের যত্নঃ
প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশুদের ত্বক খুবই নাজুক এবং সংবেদনশীল। যার কারণে শীতের আর্দ্র আবহাওয়ায় শিশুর ত্বক শুষ্ক ও প্রাণহীন হয়ে পড়ে। শুষ্ক ত্বক শিশুদের বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করে। তাই শীতের এই মৌসুমে শিশুর ত্বকের যত্নে অধিক সতর্ক ও মনোযোগী হতে হবে।
শীতকালে শিশুদের মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা দেয়। শীতকালে নানা ধরনের সংক্রমণ দেখা যায়। কিভাবে শীতে শিশুদের যত্ন রাখবেন তা নিচে সে সম্পর্কে তুলে ধরা হয়েছে...
➤ শিশুদের বিভিন্ন সংক্রমণের লক্ষণঃ
শীতকালে যে সংক্রমণ ঘটে তার বেশিরভাগেরই লক্ষণ দেখে চিহ্নিত করা যায়। শীতে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণের লক্ষণগুলি হল-
➤ তার মারাত্মক ভাবে কাশি হয় এবং বমিও হতে পারে।
➤ আপনার শিশুর শ্বাস নিতে সমস্যা হতে পারে, সে হাঁপিয়ে যায় বা ছোট ছোট ও ঘন ঘন শ্বাস নিতে পারে।
➤ সে ঘুমনোর সময় বা কাশি হওয়ার পরেও শ্বাস নেওয়ার শব্দ হতে পারেন
➤ শ্বাসকষ্টের সংক্রমণের ফলে ফুলে যাওয়া ফুসফুসের কারণে তার বুকে ব্যথা হতেপারে।
➤ তার মাথা বাধার সঙ্গে নাক দিয়ে সর্দি ঝরা, জ্বর, কাশি হতে পারে।
শীতের শিশুর ত্বকের যত্নঃ
➤ আপনার ছোট্ট বাচ্চার ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং শীতের রুক্ষ পরিবেশ একে শুষ্ক করে তোলে।
➤ শিশুর ত্বক নরম ও কোমল রাখতে একটি ভালো ময়শ্চারজার ব্যবহার করুন।
➤ শীতে শিশুর ত্বকের সুরক্ষায় অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা যেতে পারে। অ্যালোভেরার কাণ্ড ভেঙে সেখান থেকে জেল নিয়ে ত্বকের শুষ্ক স্থানে লাগান, ত্বক হবে কোমল ও নরম।
➤ আপনার সন্তানের যথাযথ বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্য প্রতিদিন তাকে মেসেজ করা জরুরী। মেসেজ করলে দেহের মধ্যে রক্ত প্রবাহ উদ্দীপিত হয়।
➤ আপনি আপনার শিশুর জন্য স্যুপ তৈরি করতে পারেন এবং এতে পিউরি মুরগির মাংসের টুকরো ও শাকসব্জি যুক্ত করতে পারেন। এছাড়াও রসুন চূর্ণ অন্তর্ভুক্ত করুন। এটি শীতের সময় আপনার শিশুকে উষ্ণ রাখবে এবং শীতের বিভিন্ন অসুস্থতা থেকে তাকে রক্ষা করবে। তবে মায়ের দুধের বিকল্প কিছু নেই।
➤ তীব্র শীতের সময়টা অভিভাবকদের কিছুটা সচেতন থাকতে হবে। শিশুদের ঠান্ডা বাতাস এবং ধুলাবালি থেকে দূরে রাখতে হবে। যেহেতু শীতে এর রোগ গুলো সংক্রামিত হয় তাই যতটা সম্ভব শিশুদের জনসমাগম পূর্ণ জায়গায় কম নেওয়ায় ভালো। শিশুদের গামছা,রুমাল, তোয়ালে প্রভৃতি আলাদা হওয়া উচিত এবং আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির সময় শিশুদের দূরে রাখা উচিত।

কোন মন্তব্য নেই